Categories
Uncategorized

Beautiful Themes for Sublime Text 3

I have been using ST3 for a while now on test drive and I have checked out some of the themes currently available for Sublime Text 3. All of these themes are available via Package Control. I am also going to link the screenshots to their respective github repo in case you don’t want to use Package Control for some (weird) reasons.

Soda Theme

Soda is probably the most popular theme for Sublime Text

Flatland Theme

Cobalt 2

Nexus Theme

Reminds me of Google Nexus.

Nexus Theme

Pseudo OSX theme

Mac / OS X users are going to love this one

Reeder Theme

Here’s another nice one

Phoenix Theme

And it’s cool

Centurion

Which one did I miss?

So you know there’s a cool theme for ST3 that is not yet on this list? Please let me know in the comments, I shall add it.

Categories
Bangla PHP

পিএইচপি ৫.৫ – নতুন কি এলো?

গত ২০শে জুন পিএইচপি ৫.৫ রিলিজ পেলেও আপগ্রেড করা হয়ে ওঠেনি । আজ একটু আগে আপগ্রেড করেই ভাবলাম নতুন ফিচারগুলো সম্বন্ধে লিখে ফেলি । তো আসুন দেখে নেই উল্লেখযোগ্য নতুন ফিচারগুলো কি কি ।

#১ – জেনারেটর

আমরা পিএইচপিতে আইটারেটর ব্যবহার করার জন্য এতদিন Iterator ইন্টারফেইস ব্যবহার করে এসেছি । কিন্তু নতুন আসা জেনারেটর সিনট্যাক্স ব্যবহার করে আমরা আইটারেশনটা আরো সহজে হ্যান্ডল করতে পারবো ।

জেনারেটর আসলে কি? জেনারেটর হচ্ছে ফাংশনের মতই কিন্তু ফাংশন একবার মাত্র ভ্যালু রিটার্ন করতে পারে কিন্তু জেনারেটর যতবার খুশি ভ্যালু রিটার্ন করতে পারে yield কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করে । জেনারেটর থেকে রিটার্ন করা সব ভ্যালু একটি সিকুয়েন্স হিসেবে থাকে যেটি কিনা আইটারেট করা যায় অন্যসব আইটারেটর (যেমন: এ্যারে) এর মত করেই (যেমন: foreach ব্যবহার করে) । জেনারেটর যেহেতু একটি একটি করে ভ্যালু রিটার্ন করে, সেহেতু সব ডাটা এক সাথে এ্যারে তে রাখার প্রয়োজন পড়ে না । ফলে মোমোরী সেইভ করা সম্ভব । যেমন, range(0,1000000) ব্যবহার করে যদি আমরা একটি এ্যারে তৈরি করি এক মিলিয়ন সংখ্যার, তাহলে তার জন্য আমাদের প্রায় ১০০ মেগাবাইট মেমোরী প্রয়োজন হবে । একই কাজ যদি জেনারেটর ব্যবহার করে করি তবে থিওরেটিক্যালি কখনোই ১ কিলোবাইট এর বেশী মেমোরী ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না ।

চলুন জেনারেটরের কোড এক্সাম্পল দেখি –

আউটপুট:

#২ – finally ব্লক

পিএইচপিতে আমরা এক্সেপশন হ্যান্ডলিং এর জন্য এতদিন try..catch ব্লক ব্যবহার করে এসেছি । এবার আমরা সেই সাথে পাচ্ছি আরেকটি নতুন ব্লক – finally । এই ব্লক সব সময়ই রান করবে । অর্থাৎ এক্সেপশন থাকুক বা নাই থাকুক এই ব্লক পিএইচপি চোখ বুজে এক্সিকিউট করবে । এই ব্লকের সুবিধাটা কি? ধরুন আপনি try ব্লকে একটি ডাটাবেইজ কানেকশন ওপেন করেছিলেন । এরপর পেলেন একটি এক্সেপশন এবং সেটিকে হ্যান্ডল করলেন কিন্তু ঐ ডাটাবেইজ কানেকশন? ওটা তো বন্ধ করা দরকার, তাই না? এই সুযোগটাই আপনি পাচ্ছেন finally ব্লকে ।

পিএইচপি ম্যানুয়াল থেকেই কোড স্যাম্পল তুলে দেই –

#৩ – পাসওয়ার্ড হ্যাশিং এপিআই

পাসওয়ার্ড হ্যাশিং সহজ করার জন্য এই ভার্সনে এসেছে – password_hash() এবং password_verify() । password_hash ফাংশনটি দুইটি প্যারামিটার নিয়ে কাজ করে – টেক্সট পাসওয়ার্ড, এবং হ্যাশিং এ্যালগরিদম (অনেকগুলো প্রিডিফাইন্ড কনস্টান্ট আছে) ।

উদাহরণ:

আউটপুট:

#৪ – ডিরেফারেন্সিং

এবার এ্যারে এবং স্ট্রিং লিটারেলের বেলায়ও ডিরেফারেন্সিং ফিচার যোগ করা হয়েছে –

#৫ – ক্লাস নেইম রেজুলেশন

ধরুন আপনি কোন একটি নেইমস্পেইস থেকে একটি ক্লাস ইম্পোর্ট করেছেন । এখন যদি আপনার প্রয়োজন হয় ঐ ক্লাস এর নেইমস্পেইস সহ পুরো নামের, তখন কি করবেন? আর বিশেষ করে যদি use…as ব্যবহার করে ক্লাসটিকে অন্য নামে ইম্পোর্ট করা হয় তবে ব্যাপারটি আরো জটিল হয়ে দাড়ায় । এই সমস্যার সহজ সমাধান নিয়ে এসেছে ক্লাস নেইম রেজুলেশন । যেকোনো ক্লাসে class কিওয়ার্ড ব্যবহার করে ফুল নেইম পাওয়া যাবে এভাবে – MyClass::class

আউটপুট:

অন্যান্য পরিবর্তন

অন্যান্য পরিবর্তনের মধ্য আছে –

# foreach লুপে list() ব্যবহার করা যায়
# foreach লুপে নন-স্ক্যালার (স্ট্রিং বা নাম্বার বাদের অন্য টাইপের ভ্যালু) ব্যবহার করা যায়
# OpCache এর মাধ্যমে পার্ফরমেন্স এ ইম্প্রুভমেন্ট

Categories
Bangla

এমভিসি (মডেল-ভিউ-কন্ট্রোলার) প্যাটার্ণ

এমভিসি বা মডেল-ভিউ-কন্ট্রোলার খুবই জনপ্রিয় একটি প্যাটার্ন । বিশেষ করে যদি আপনি ওয়েব নিয়ে কাজ করেন তাহলে হয়তো ইতোমধ্যে এমভিসি শব্দটির সাথে পরিচিত হয়েছেন । Trygve Reenskaug নামের এক ভদ্রলোক এই প্যাটার্নটির জনক। ভদ্রলোকের নামের বানানটি যতটা না জটিল, তার আইডিয়াটা ঠিক ততটাই সহজবোধ্য । এমভিসি প্যাটার্নের মূল বক্তব্য হলো এই প্যাটার্নে তিনটি কম্পোনেন্ট থাকবে – একটি মডেল যেটি ডাটা নিয়ে কাজ করবে, একটি ভিউ যেটার কাজ হবে মডেলকে ভিজ্যুয়ালাইজ করা এবং একটি কন্ট্রোলার যেটি ব্যবহারকারী এবং সিস্টেমের মধ্য সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে । Reenskaug এমভিসি প্যাটার্নের উপর একটি ওয়েব পেইজ মেইনটেইন করেন যেখানে এমভিসি এর উপরে বিশদ বর্ননা পাওয়া যাবে – http://heim.ifi.uio.no/~trygver/themes/mvc/mvc-index.html

আমরা যদি এমভিসি কম্পোনেন্টগুলোর দিকে নজর দেই তাহলে দেখবো –

মডেল: মডেলের কাজই হলো ডাটা নিয়ে কাজ করা । মডেল হতে পারে একটি অবজেক্ট কিংবা অনেকগুলো অবজেক্ট এর একটি স্ট্রাকচার । একটি সিস্টেমের সব ধরণের নলেজ বা ডাটা মডেল দিয়ে রিপ্রেজেন্ট করা যায় । ক্ষেত্রবিশেষে মডেল তার অবস্থা পরিবর্তন হলে (যেমন: কোন ভ্যালুর মান পাল্টে গেলে) কন্ট্রোলার বা ভিউকে নোটিফাই করে যাতে প্রয়োজনীয় প্রসেসিং করা সম্ভব হয় । ওয়েবে সাধারণত এ ধরণের নোটিফিকেশন এর সুযোগ থাকে না ।

ভিউ: ভিউ এর কাজ হচ্ছে মডেলকে ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরা । সাধারণত ভিউ মডেল থেকে ডাটা নিয়ে সেটাকে ব্যবহারকারীর কাছে সহজবোধ্য রূপে তুলে ধরে ।

কন্ট্রোলার: কন্ট্রোলার ব্যবহারকারীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আবার ব্যবহারকারীর প্রয়োজনমত ভিউ উপস্থাপন করে । কন্ট্রোলারই বলে দেয় ভিউ কোন মডেল থেকে ডাটা নিয়ে কিভাবে উপস্থাপন করবে । এছাড়াও কন্ট্রোলার মডেলে নানা ধরণের পরিবর্তন করতে পারে প্রয়োজনমত ।

এই প্যাটার্নটি অনেক ধরণের সফটওয়্যার ডিজাইন করার ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য । ডেস্কটপ, মোবাইল কিংবা ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন – সব জায়গাতেই এই প্যাটার্নটি কমবেশী প্রচলিত । তবে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের চাইতে ওয়েবে বোধহয় একটু বেশীই পরিচিত ।

উদাহরণ হিসেবে আমরা যদি একটি সাদামাটা স্ট্যাটিক ওয়েব পেইজের কথা চিন্তা করি তাহলে দেখবো –

# মডেল: এইচটিএমএল এখানে মডেল হিসেবে কাজ করছে । ওয়েব পেইজের সকল তথ্য কিন্তু এইচটিএমএল হিসেবেই থাকছে ।
# ভিউ: এই এইচটিএমএল ট্যাগগুলোকে কিভাবে ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরতে হবে সেটা নির্দেশ করার জন্য আমরা সিএসএস ব্যবহার করি ।
# কন্ট্রোলার: জাভাস্ক্রীপ্ট ব্যবহার করে আমরা নতুন নতুন এইচটিএমএল যেমন যোগ করতে পারি তেমনি পারি সিএসএস পরিবর্তন করতে ।

তাহলে এখানেও সেই এমভিসি প্যাটার্নের দেখা মিলছে । এবার দেখা যাক একটি ডাইনামিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন এর ক্ষেত্রে কি হতে পারে । মনে করি একটি ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন যেটির কাজ হচ্ছে একটি ক্লাসের স্টুডেন্টদের তালিকা প্রদশর্ন করা । তাহলে –

# মডেল: সকল স্টুডেন্টদের তথ্য । সম্ভবত এই তথ্য একত্রে একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষিত থাকবে এবং মডেল ব্যবহার করে আমরা এই তথ্য এ্যাক্সেস করতে পারবো ।
# ভিউ: স্টুডেন্টদের তালিকা যেটি কিনা এইচটিএমএল হিসেবে একটি সুন্দর টেবিলে রোল নম্বরের ক্রমানুযায়ী প্রদর্শিত হবে ।
# কন্ট্রোলার: কন্ট্রোলার জানবে কোন মডেল থেকে স্টুডেন্টদের ডাটা সংগ্রহ করতে হবে, রোল নম্বর অনুযায়ী কিভাবে সাজাতে হবে অতপর কিভাবে এই ডাটা থেকে ব্রাউজারে প্রদর্শনযোগ্য এইচটিএমএল কোড আউটপুট করা যাবে ।

আমরা যদি হালের জনপ্রিয় পিএইচপি ফ্রেমওয়ার্ক লারাভেলের মত করে চিন্তা করি তাহলে দেখবো –

# মডেল অবজেক্টগুলো সরাসরি ডাটাবেইজের টেবিলকে রিপ্রেজেন্ট করে । একেকটি মডেল ব্যবহার করে আমরা একেক টেবিল থেকে ডাটা এ্যাক্সেস করতে পারি ।
# ভিউ থাকে এইচটিএমএল এর মত বিশেষ টেম্প্লেট যেটা জানে কিভাবে এইচটিএমএল কোড আউটপুট করতে হবে ।
# কন্ট্রোলার অবজেক্টগুলো ব্যবহারকারীর ইচ্ছামত প্রয়োজনীয় মডেল থেকে ডাটা এনে ভিউ তৈরি করে দেয় ।

যেমন: যখন একজন ব্যবহারকারী /students/all – এই ঠিকানা ভিজিট করবেন তখন সব স্টুডেন্টদের তালিকা দেখাতে হবে । যখনই ওয়েব এ্যাপ্লিকশেন এই রিকোয়েস্টটি পায় তখন সে কন্ট্রোলারকে জানায় যে ব্যবহারকারী সব স্টুডেন্টদের তালিকা দেখতে চাচ্ছে । কন্ট্রোলার তখন ঝটপট Student মডেল এর কাছ থেকে সব স্টুডেন্ট এর তথ্য সংগ্রহ করে নেয় । এরপর সেগুলোকে রোল অনুযায়ী সাজিয়ে পাঠিয়ে দেয় ভিউ এর কাছে । ভিউ তখন মডেল হতে পাওয়া ডাটা সুন্দর করে এইচটিএমএল হিসেবে আউটপুট দিয়ে দেয় ।

কি করে বুঝবেন যে আপনার এ্যাপ্লিকেশনটি সঠিকভাবে এমভিসি প্যাটার্ন অনুসরণ করছে? নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন এই এ্যাপ্লিকেশনটি থীমেবল কিনা । অর্থাৎ চাইলেই আপনি এটির জন্য অনেকগুলো থীম তৈরি করে ডাইনামিকালি থীম পরিবর্তন করতে পারছেন কিনা । যদি সেটা সম্ভব হয় তবে সম্ভবত আপনি সঠিকভাবেই এমভিসি ফলো করেছেন আর যদি সম্ভব না হয় তবে আপনি এমভিসি কম্পোনেন্টগুলোকে আলাদা করতে পারেননি ঠিকমতো ।