Installing Flash Player in Kubuntu 11.04 amd64

I installed Kubuntu 11.04 64bit on my notebook PC about an hour ago. It has so far impressed me. The only issue I was having is the installation of Flash Player. I tried a few workouts I found on the internet but none but the following worked. I found the solution on Ask Ubuntu. Save the following codes and run it as a shell script. It installs Flash Player 10 though. If you’re bash savvy, you can of course tweak it to install the version you desire! Happy flashing (!?) 😀 😛

Getting full theming of Ubuntu inside VirtualBox

Due to some issues with my laptop hardware, I can not use Ubuntu all time. After some time, the laptop just freezes. After repeated occurrence of the same crash, I have started using Windows full time and kept Ubuntu inside VirtualBox. In the default setup, the first thing I noticed is that the theme is broken – both in unity and the classic ubuntu session (which is a gnome2 based fallback option, I guess). I love working on Ubuntu, but I hate the grey old ubuntu theme that appears on my screen. I always wondered why this happened.

After some googling, I came to find that VirtualBox by default doesn’t enable 3D hardware acceleration. So, Unity can not find required hardware to enable the theme. I just increased the video memory for the virtual machine to 32MB and enabled 3D acceleration. Installed VirtualBox guest addition. Restarted the machine.

Everything was fine except the panels and nautilus icons. It is mainly because the “gnome-settings-daemon” crashes. I killed the process and then restarted it using:

(PS: Don’t use sudo, you need to kill the process running under your account)

Then I dealt with nautilus in the same manner:

Installing VirtualBox Guest Additions in Linux Mint Debian

I am tired of the more and more resource hungry nature of Ubuntu’s latest versions. I have tried other Linux distros like Fedora and OpenSUSE but I have a soft corner for debian based distros. So tonight, I have installed Linux Mint Debian in a virtualbox VM. Linux Mint Debian, as the name suggests, is a linux distro based on the popular Debian Linux. They just added some extra tools and toys to make the plain old Debian look and feel “wow!”.

If you have ever used VirtualBox, then you’re probably aware of the “Guest Additions” which makes the VBox guests more accessible and more usable. After the additions are installed, mouse capturing, copy-pasting between host and guest, better hardware and video support, full screen and seamless modes etc features are available.

On Ubuntu, installing the Guest Additions in a guest machine is pretty straightforward. You mount the Guest Additions cd image and accept the auto run prompt. The rest is done automatically. But in case of Debian, things are a bit geekier. You need to have the kernel modules and source codes so that the guest additions can be compiled and loaded into the kernel of your system. So, before we try to run the guest additions installer, we need to run these following commands to prepare our system:

Running these commands shall update your package list, download and install the required packages for compilation and then prepare the environment for the actual operation.

Now navigate terminal to the VirtualBox Guest Additions directory and use the following command to run it:

After the installation is over, shut down the VM, allocate enough video memory (at least 32MB, I did 128MB) and enable 3D Acceleration from the Settings > Display tab of the VM.

Start the virtual machine and enjoy! 🙂

Sharing WiMax Through a Second Wireless Router and WiFi Issue on Ubuntu

PS: This post shall tend to be more of a self documentation than an informative technical article.

I own a Belkin N Series Wireless Modem and Router which I bought from after comparing between various models which the site showcased (which I used to use for BTCL ADSL connection). I recently (couple of months ago) took a Banglalion WiMax connection. I purchased their indoor unit which doesn’t have WiFi built in. They have another indoor device which has WiFi but my bad luck, it was out of market then, if that’s the option you are looking for than I’d suggest asking for their wi-fi for sale options.

Since I use my Notebook PC, creating a wireless home network is very important. After spending a considerable amount of time behind the Belkin device, I came to find that it can be used to route the WiMax connection. The configuration was a bit tricky (at least for me – may be because I never did this before). Now, through the Belkin device, I would directly be connected to the WiMax device. When a connection was established, it would seem that the Belkin device never existed and I am directly connected to the WiMax device via WiFi. It was cool (though I had to restart the Belkin device after the Wimax device had a stable connection after reboot). Things were good with the system and Windows 7.

However, I installed Ubuntu (completely removing Windows 7) and the WiFi connects. But it fails to reach to the WiMax device. I can reach the Belkin device but no further than that. No Internet connection, nothing! I was very disappointed. But an idea came to my mind, if Windows can handle the routing, why not try it inside VirtualBox? VirtualBox supports bridging host adapters directly with the guest os. So, If I run Windows inside virtual box, I would be able to access my WiFi hardware from Windows. I had a plan that if it worked, if I could browse the internet from inside VBox, I would create a host only network and bridge the two connections.

But life sometimes is much comfortable than you can anticipate. After I installed Windows XP inside Virtual Box and bridged my “wlan0”, Ubuntu started getting Internet connection. This is so interesting, I don’t even need to create network bridge or anything! As long as Windows XP is running inside VirtualBox, Ubuntu can reach the WiMax device like Windows used to do. I don’t know why this happens. May be Ubuntu requires some complex network configuration to connect to such multiple device scenario on the other hand Windows automatically configures the device so during that period, the connection works. Or may be the guest and host OS has some other bridges I am not aware of, so the Windows XP is sharing the connection even without my knowing it.

Whatever the fact is, I am happy. I have tested it several times. If I shut down Windows XP inside the VBox, my connection drops (though the WiFi remains connected to Belkin, it can’t reach the end). But if keep the virtual machine running, connection is perfectly okay. For more information on the wifi router and how you can fix various network issues, visit and learn about Advanced Telecom Systems.

উইন্ডোজ পুরা ফালতু – ব্যবহার করে দিনকে দিন হতাশ হচ্ছি

লেখাটি অন্ধ লিনাক্স ফ্যানদের জন্য উৎসর্গকৃত 🙂

শ্রদ্ধেয় শামীম ভাই অনেকদিন আগে সচলায়তনে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন : লিনাক্স পুরা ফালতু – ব্যবহার করে দিনকে দিন হতাশ হচ্ছি । চমৎকার লেখনীতে তিনি উইন্ডোজের খারাপ দিকগুলো তুলে ধরেছিলেন আর তুলনা করেছিলেন লিনাক্সের সাথে । পোস্টটি নিঃসন্দেহে সুখপাঠ্য ছিল । আজকে আমার এই ব্লগ পোস্টের শিরোনাম শামীম ভাইয়ের লেখার সাথে অনেকখানি মিলে যায় তাই প্রথমেই তাকে স্মরণ করলাম ।

আমি Ubuntu 6.06 LTS ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্রথম উবুন্টু এবং লিনাক্স ব্যবহার করি । হার্ডওয়্যার ইনকম্পাটিবিলিটির কারণে সে যাত্রা অভিজ্ঞতাটা খুব সুখের ছিল না । Ubuntu 8.04 থেকে লিনাক্সের লিমিটেশন মেনে নিয়েই উবুন্টু ব্যবহার করছি । Ubuntu 8.10, 9.04, 9.10, 10.04, 10.10 এবং 11.04 এই প্রত্যেকটা ভার্সনই আমি কমপক্ষে ১ মাস এবং বেশিরভাগ সময়ই ৩-৬ মাস ব্যবহার করেছি । এ সময়ে আমি ইচ্ছা অনিচ্ছায় প্রচুর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি । কিন্তু কিছুদিন যাবৎ আমি উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করছি যেটাকে লিনাক্স ব্যবহারকারীরা ব্যাঙ্গ করে “সপ্তম জানালা” বলে থাকেন । গত ৫-৬ মাস ব্যবহার করেই বুঝেছি এই জিনিস চূড়ান্ত ফালতু, যতই দিন যাচ্ছে আরো হতাশ হচ্ছি ।

প্রথমেই বলি ড্রাইভারের কথা । আমার ওয়াইফাই লিনাক্সে পেত না । কত গুতাগুতি করে এই সাইটে ঐ সাইটে ঘুরে কেরামতি করে একটা ড্রাইভার ইনস্টল করছিলাম । কাউকে জিজ্ঞাসা করলে বলে এটা ড্রাইভার ম্যানুফাকচারের প্রবলেম, তাদের বল লিনাক্সের জন্য ড্রাইভার বানাইতে । যেখান থেকে ল্যাপটপ কিনলাম তাদের মারলাম ঝাড়ি, লিনাক্সের জন্য কেন ড্রাইভার নাই । তারা মুখ কাচু মাচু করে বলল এই জিনিসের নামই শোনে নি তারা। তারা আমাকে বুঝাতে চাইল যে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারী কম তার জন্যে ড্রাইভার বানাতে এবং মেইনটেইন করতে যে খরচ হবে তার তুলনায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিতান্তই নগন্য । যাই হোক এইসব অযৌক্তিক কথা শোনার টাইম ছিল না । এখানে সেখানে ঘুরে একটার পর একটা ড্রাইভার নামায়ে নামায়ে টেস্ট করতে লাগলাম। শেষ পর্যন্ত একটা ড্রাইভারে কাজ হল । আমার তখন মনে হচ্ছিল এভারেস্ট জয় করে ফেলছি । একটু পরেই দেখি বিধি বাম, ওয়াইফাই কানেক্টেড বাট ডাটা ট্রান্সফার হচ্ছে না । আজও এই প্রব্লেম এর সলিউশন পাইনাই । ড্রাইভার নিয়ে এই ভয় থেকে উইন্ডোজ সেটাপ দিলাম দুরু দুরু বুকে । আমার কাছে সিডিতে উইন্ডোজের ড্রাইভার ছিল, সেটাও গেছে হারিয়ে । ভাবলাম আবারো গুতাগুতি করা লাগবে, এটলিস্ট ম্যানুফ্যাকচারের ওয়েবসাইটে গাদা গাদা ড্রাইভার থেকে আমারটা খুজে নেওয়া লাগবে । কিন্তু উইন্ডোজ আমাকে হতাশ করল । শালার মাইক্রোসফট দেখি উইন্ডোজ আপডেটের সাথে সাথে আমার ওয়াইফাই ড্রাইভার দিয়ে দিছে। আমার রণ প্রস্তুতি বৃথাই গেল । 🙁

ড্রাইভার চুলোয় যাক, ভাবলাম ভাইরাস নিয়ে এবার একটা যুদ্ধ হবেই হবে । ওমা, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়ালস নামে এক ঘোড়ার ডিম আছে, এই জিনিস ইন্সটল দিতেই আমার হার্ডডিস্কের কোণা কানা থেকে ভাইরাস টেনে টেনে বের করে আনল তারপর আমি কিছু বুঝার আগেই সেগুলো হাওয়া! হায় হায়, আমি তো জানতাম উইন্ডোজ মানেই ভাইরাসের সাথে ক্যানন ফাইট। এইটা কি হইল ? 😮 এইটা মাইক্রোসফটরে ফ্রি দিতে কে কইছিল? আজাইরা আকাম!

এরপরে আমার নতুন কেনা নোকিয়া ফোনটারে ব্লুটুথ দিয়া লাগাইলাম। একগাদা সার্ভিস ইন্সটল হয়ে গেল । ফোনের গান পিসি থেকে বাজানো যায়, পিসির হেড ফোন দিয়ে কল দেওয়া যায়, সেই কল আবার রেকর্ডও করা যায় । আবার ইচ্ছামত এপিএন দিয়ে ইন্টারনেটে ঢোকাতো যায়ই, ফোনটারে নেটওয়ার্ক ডিভাইস হিসেবে চালানো যায় । আরো একগাদা জিনিস করা যায় যেগুলো লিনাক্সে ছিল না। লিনাক্সে তো আমার একটা ফাইল ট্রান্সফার করতেই কয়েকবার গুতাগুতি করা লাগত, ড্রাইভারের কথা নাই বা বললাম । একটা ফাইল ট্রান্সফার করেই নিজের বীরপুরুষ মনে হত। উইন্ডোজে দেখি ফোল্ডার সহ পাঠানো যায়, সাথে আবার এফটিপি দিয়ে ফোনের কন্টেন্ট ও ব্রাউজ (সাথে ডিলিট) ও করা যায় । না হতাশ হইলাম এই জানালা নিয়া!

লিনাক্সে টাচপ্যাড দিয়ে স্ক্রোল করা ছিল মারাত্বক রোমাঞ্চকর । উইন্ডোজে দেখি আমার টাচপ্যাডে লাল বাতি জ্বলে । লাল বাতি দেখে একটু এডভেঞ্চারের গন্ধ পাইছিলাম, পরে দেখি টাচপ্যাডের পাশের স্ক্রোলবার তো কাজ করেই সাথে মাল্টিটাচ, জুম আর রোটেশনও কাজ করে । ধুর! উইন্ডোজ নিজে নিজেই আপডেটের সাথে সিন্যাপ্টিক ইন্সটল করে দিছে ।

লিনাক্সে কত মজার মজার 2D গেইম খেলতাম । উইন্ডোজে দেখি সব 3D। গেইমের গ্রাফিক্স দেখে তো মাথা ঘুরায় । নাহ, লিনাক্সের গেইম গুলাই ভাল ছিলা, মাথা ব্যথা হইত না বেশিক্ষন খেললেও ।

আরো হতাশ হইলাম যখন দেখলাম এই জঘন্য জানালা উবুন্টুর চেয়ে ভাল পারফর্ম করছে আমার Celeron D 2GHz 1GB RAM ওয়ালা পিসিতে । উইন্ডোজ যেহেতু প্রোপারেটরি জিনিস, কোডেক পাইতেও সমস্যা নাই । সাধারণ কোডেকগুলো দেওয়াই থাকে, আমার গ্রামীণ ফোনের ডাটা আর খরচ হয় না। ঐগুলা জমায়ে তো আমার কোন লাভ নাই । হায়রে উইন্ডোজ! 🙁

এবার আসি পাইরেসীর ব্যাপারে। আমি যদিও ইউনিভার্সিটিতে সব বই ফটোকপি পড়ি তারপরেও যারা পাইরেটেড উইন্ডোজ ব্যবহারকারী ছিল তাদের কে “চোর” বললে নিজেরে কেমন সাধু সাধু মনে হইত । এখন সেই উপায়ও নাই । উইন্ডোজ সেভেন স্টার্টার এর দাম নাকি মাত্র ৪,০০০/= আর ইদানীং নেটবুক, নোটবুক এইগুলানের সাথে জেনুইন উইন্ডোজ দিচ্ছে । শুধু তাই হইলে তো হইছিল । ছাত্র ছাত্রীদের এক গাদা টুলস ফ্রি দিচ্ছে মাইক্রোসফট । মাঝখানে শুনলাম স্মলবিজনেস ওয়ালাদের জন্যেও নাকি ফ্রি দিচ্ছে এগুলো । যারা আলো আসবেই সাইটে মেম্বার তারাও ফ্রী পাইতেছে । চোর কইয়াও শান্তি নাই! 🙁

লিনাক্সে কমান্ড বা প্যাকেজের নাম মুখস্ত করে ঝেড়ে দিলেই চলে । কোন দিকে তাকানো লাগে না। কোন নেক্সট নেক্সট করা লাগেনা । আমার ধারণাও হয়না কিভাবে কি ইন্সটল হচ্ছে, কোথায় কি ইন্সটল হচ্ছে । উইন্ডোজে আবার এইগুলো একটু বেশী হয়, সবকিছু জেনে বুঝে নেক্সট বাটন চাপা লাগে । এত জানা বোঝার টাইম কই?

লিনাক্সে কিছু না পারলে এখানে খোজ, ওখানে খোজ । এই কমান্ডের আউটপুট দাও, ঐটার স্ক্রীনশট দাও, কেউ বলবে “hal” ইন্সটল কর, কেউ আবার সেটা নিয়ে হাসাহাসি করবে । এই ফোরামে যাও, ঐ ফোরামে যাও, মাঝে মাঝে ব্যান খাও কিংবা হ্যাক হওয়া ফোরামের ফ্রন্ট পেইজে দুই এডমিনের বিনোদনমূলক ভিডিও দেখ — ব্যাপক মজা । উইন্ডোজে এর ছাই পাশও নাই । ম্যান্দা মারা । সাপোর্ট টিকেট সাবমিট কর । তারা সাপোর্ট দিয়ে দেবে । এইটা কোন কথা হল? কোন কোন গিকি গিকি ভাব নাই, লাইফটারে জীবন বানাইয়া দিল উইন্ডোজ । 🙁

লিনাক্সের কাস্টোমাইজড ডিভিডি আছে, তার আবার কোনটা কোনটা ৬০টাকা দিয়ে কিনে দেখা যায় কাজ করে না । তখন আবার সেইগুলা ফেরত দেওয়া, বিনিময়ে আবার নতুন ডিভিডি নেওয়া । মাঝে মাঝে মেলা হয়, আড্ডা হয় । সেইগুলো কোনটা কার ইভেন্ট ছিল, কোনটা কার ইভেন্ট ছিল না সেইটা নিয়ে টুইটার গরম থাকে । ফোরাম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই স্পন্সর লিস্টে নাম ঢুকায় দেওয়ায় আবার দুই পক্ষের কথা বার্তায় ফোরাম গরম হয় । এইগুলা সবই লিনাক্সের ভ্যালু এডিশন হিসেবে বিবেচনা করা যেত । একটা আকর্ষনীয় অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ব্যাপক বিনোদন । উইন্ডোজে আমি স্টীভ বালমারের সেই নাচের ভিডিও ছাড়া এরকম কোন বিনোদন পাই নি । শেইম!

লিনাক্সে আবার মাঝে মাঝে সিস্টেম আপডেট দিলে ম্যানুয়ালি ইন্সটল করা ড্রাইভারগুলো মুছে যেত । আবার সেগুলো নিয়ে মাতামাতি গুতাগুতি করতাম । উইন্ডোজে আপডেটের পর আপডেট দেই, কিচ্ছু ভাঙ্গে না । 🙁

এতদিন উইন্ডোজ ব্যবহার করে আশায় আশায় ছিলাম ব্লু স্ক্রীন অব ডেথ দেখব উবুন্টু যেমন মাঝে মাঝেই চুপ হয়ে যায় আমারে কিছু না বলেই সেরকম কিছু দেখব। জানালা আমাকে হতাশ করেছে । মোটামুটি সব ওপেনসোর্স সফটওয়্যারই উইন্ডোজের জন্য আছে । তাই ক্রাক করার থ্রিলটাও নাই ।

আর কি বলব । এরকম হাজারটা কারণ দেখানো যায় যার কারণে উইন্ডোজ আমাকে প্রতিনিয়ত হতাশ করে চলছে । শেইম অন মাইক্রোসফট, শেইম অন উইন্ডোজ ডেভেলপারস এন্ড ইউজার্স! শেইম! 😀

Fedora 15: Misc. Fixes

This is more of a self documentation – the problems I faced and how I solved them.

1) Bluetooth is available but device is not visible. Functions are disabled.

Thanks to @roytush for the tweet I was in need so badly 😉

2) File permission set to 777 but still php can’t include() the file.

Changed the SELinux Context to: httpd_user_script_exec_t

3) WiFi not working

First I updated the kernel to the latest version:

Then installed required packages:

I downloaded this file :

Extracted it and then run:

I restarted my system and My WiFi came up! 🙂

I shall face more issues as I go. I shall try to update this post with updates. Stay tuned!

Fedora Tweaks: Enable Root Login via GUI, Install mp3 codecs and VLC

Enabling Root Login Via GDM:

REMEMBER: Logging as root gives you godlike powers on a Linux system. Changes you make using this user can break your system. So it’s highly recommended you don’t login as root unless you’re certain about what you’re up to.

On Fedora 15, open “/etc/pam.d/gdm” and uncomment this line:

auth required user != root quiet

And then open “/etc/pam.d/gdm-password” and uncomment this line:

auth required user != root quiet

Logout and try logging in as root.

Installing Mp3 Codecs and VLC:

Fedora by default doesn’t distribute many apps. So we have to use some external repos. RPM Fusion is one of the most popular RPM repo. First we enable it:

Then we install VLC:

Fedora 15 “Love Lock” and My Experience

Fedora 15, codename “Love Lock” features Gnome3 as the default desktop environment. The UI is stunningly beautiful but the navigation requires some getting used to. Biggest surprise – no minimize button, Gnome3 devs focused on the use of workspace rather than minimizing. However I found out that we can still minimize by right clicking on the window of the application. But without playing much with the GUI, I jumped into setting up my work environment. Installing LAMP was a bit different given my past experience in Ubuntu.

Then started the service :

Changed ownership of the /var/www directory:

Then I fired up nautilus, browsed /var/www and deleted all the files. Created a index.php with phpinfo(). And then tried to restart the server:

It failed because the server document root was wrong in the httpd.conf. When installing apache on Fedora, the server document root is /var/www/html which I deleted while cleaning up /var/www. So I installed nano:

And then edited the /etc/httpd/conf/httpd.conf file with nano to fix the issues. Then again restarted the server and it worked 🙂

Besides, I learned this command:

It checks the httpd.conf for syntax errors.

I created a test user and then tried to delete the user. The GUI had issues with that. Then found this command to do that:

I downloaded Skype and installed. It’s working fine. So far the experience is good. I am learning lots of commands and I’m loving it 🙂

VirtualBox, Windows and Linux: Getting the best out of both worlds!

Windows and Linux are two entirely different OS. They have their own strengths and weaknesses. Many software and solutions are unique to either of the platform. If you’re an intelligent person, you’d love to get the best out of the both platforms.

If I talk about myself, I need Windows for many reasons. For academic purposes and as because of some minor but critical compatibility issues. My Notebook PC has issues with WiFi connectivity on Linux. Same goes for my Nokia X2 which can not talk to my PC via bluetooth if I am on Linux. On the other hand, I am a LAMP engineer. Linux is a must for my day to day works. In the past I used to run a Windows XP inside virtualbox. That used to solve some of my problems but not all. To be honest, till today, Windows has the best hardware compatibility no matter how their other features suck. We can argue whether it’s the fault of the hardware manufacturers or not but that won’t change the fact at all.

Finally, I have decided that I shall keep Windows 7 as my default OS and install Ubuntu inside virtualbox. In this way, I can access the required features of the Linux platform (LAMP, Postfix, nGinx and all others) and at the same time enjoy the benefits of Windows.

Even more interesting, I can share directories between the OS, so I can easily share my www on Windows and make the same stuff available on Linux. I planned to make the shared www the doc root of the apache in Linux so I can test the same application on Linux without hassles. This will give me the ability to try those PECL extensions, PEAR packages and other contents which are generally not available for Windows. So what did I do?

1) I installed VirtualBox (

2) I inserted my Ubuntu 10.10 disc. I proceeded with creating a virtual machine. On the way, I created a virtual hard disk in VirtualBox for the installation. The wizard is pretty simple. Anyone would be able to install Ubuntu on VirtualBox with ease.

3) After the Ubuntu installation was complete, I logged into the system. From the VirtualBox Window, I went to “Devices” menu, then clicked “Install Guest Additions”. This command added a CD to the virtual machine (Ubuntu). I went to “Places” > < Virtualbox Guest Addition CD name >. I double clicked the “” file and ran it on terminal. After a few moments, it was installed. The Guest Additions enable file sharing between the guest and host OS.

4) In the VirtualBox window, I clicked on “Devices” menu and then “Shared Folders”. I added a shared folder named “www” with full access. This was in fact the www root of my WAMP server.

5) Then I logged into Ubuntu and installed LAMP. After that, I opened up the “/etc/rc.local” file and typed in the following command:

What did it do? It actually mounted the shared www in /var/www when the machine (Ubuntu) started up. Making my WAMP server www available on LAMP. Since I have given the folder full access while sharing, I can use the terminal to do some dark magic on the files as well 😉

So, from now on, I no longer need to struggle while creating a “.htaccess” file or “index.php” file on Windows. Terminal will do that. 🙂

If you want to access the LAMP localhost from your Windows, go to “Devices” > “Network Adapters”. Add a “Host only adapter” to access it from the host OS. If you have a router and want to forward your port to the virtual machine, add a “Bridged Adapter” and select your WiFi or LAN driver.

After setting up the adapters, restart your machine and open terminal. Type in:

You can see the IP addresses attached to the virtual machine. Apparently you can access the LAMP www both via eth0 and eth1 IP address.

I have an exam tomorrow but couldn’t resist to share the little experiment and the awesome outcome! I was on a haste and everything might not be clear. Feel free to ask any questions. I shall respond when I can manage some time 🙂

Have fun!

Update: Backup the virtual HDD. In case something happens, you will be able to reuse it and skip all the installation hassles.

Ubuntu 10.10 Performance Issues and how to fix them :)

Okay, so if you have started using Ubuntu 10.10 lately, you might have noticed that the system is buggy. In my case – Terminal I/O was slow, scrolling was miserable, video was not running smooth and sometimes the permission dialog box jammed on screen. I was looking for a solution. I ended up browsing a hell lot of threads on the Ubuntu forums with similar problems but no solutions. I was getting frustrated.

Then somewhere I read that Ubuntu 10.10 Kernel might be the culprit behind the issues. I decided to give it a try. I downloaded the following files from the Ubuntu Kernel 2.6.36 rc7 (Maverick uses 2.6.35, 2.6.26 rc8 doesn’t have 32bit kernels yet) and put them in the same directory. Then I ran this command to install them:


The above commands installed the Kernel. I restarted my machine and everything was smooth 🙂