হিস্টোগ্রাম নাকি বার চার্ট?

ডাটা ভিজুয়ালাইজেশনের সময় আমরা প্রায়শই হিস্টোগ্রাম ও বার চার্ট এর ব্যবহার দেখবো । বার চার্ট এবং হিস্টোগ্রাম দেখতে অনেকটা একই রকম । দুটোতেই আমরা লম্বা লম্বা বার আকিঁ । x-axis এ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভ্যারিয়েবল ও y-axis এ ডিপেন্ডেন্ট ভ্যারিয়েবল এর মান বসিয়ে দিয়ে আমরা সুন্দর করে হিস্টোগ্রাম ও বার চার্ট একেঁ ফেলি ।

দেখতে একই রকম হলেও দুটোর মধ্যে রয়েছে মৌলিক পার্থক্য । হিস্টোগ্রাম টা আমরা রেন্জ বা ডিস্ট্রিবিউশানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করি । যেমন নিচের হিস্টোগ্রামটা দেখি:

এখানে আমরা দেখছি বিভিন্ন বয়সের মানুষ, যারা ছুটি কাটাতে যায় তাদের মধ্যে কতজন হোটেলে থাকে । আমরা খেয়াল করলে দেখবো, এখানে ২০ বছরের নিচে যারা, তাদের মধ্যে ৫ জন হোটেলে থাকে, ২১-৩০ এর মধ্যে ১৫ জন, ৩১-৪০ এর মধ্যে আছে ১০ জন এবং ৪১-৫০ বয়সীদের মধ্যে ৫ জন এর কম ।

লক্ষ্য করি, এখানে আমাদের ডাটা নিউমেরিক্যাল এবং আমরা রেন্জ নিয়ে কাজ করছি – বয়সের রেন্জ । বিভিন্ন বয়সের মানুষকে নির্দিষ্ট কিছু রেন্জে আমরা ডিস্ট্রিবিউট করেছি । এখানে ডাটার এই রেন্জে কোন গ্যাপ নেই । এবং হিস্টোগ্রামের পার্টগুলোকে বা বার গুলোকে অন্য কোন অর্ডারে রি-এ্যারেন্জ করার সুযোগ নেই ।

এবার দেখি একটি বার চার্ট:

এই চার্টে আমরা দেখছি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গাড়ি নির্মাতাদের জানুয়ারী মাসে বিক্রিত গাড়ির সংখ্যা । এখানে প্রধান লক্ষনীয় বিষয় হলো এইবার আমাদের ডাটা কিন্তু নিউমেরিক্যাল না, বরং ক্যাটেগরিক্যাল । বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে তুলনা করতে আমরা এই বার চার্টটি ব্যবহার করতে পারি । বার চার্টের ক্ষেত্রে বার গুলোকে রি-এ্যারেন্জ করলেও কোন সমস্যা হয় না । এবং বার গুলো একটা আরেকটার সাথে কানেক্টেড না, মাঝ খানে তাই গ্যাপ থাকে ।


TL;DR – হিস্টোগ্রাম একটা ভ্যারিয়েবলের ডিস্ট্রিবিউশান রিপ্রেজেন্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়, বার চার্ট বিভিন্ন ভ্যারিয়েবলের মধ্যে তুলনা করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *